দিল্লি বিধানসভা ব্রিটিশ আমলের নথিপত্র সাধারণ মানুষ ও গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত করল
নয়াদিল্লি (RNI) দিল্লি বিধানসভা আজ ব্রিটিশ আমলের আইনসভা সংক্রান্ত নথিপত্র সাধারণ মানুষ এবং গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে।
লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা দিল্লি বিধানসভার ত্রৈমাসিক পত্রিকা ‘বিধান-চেতনা’-র প্রথম সংখ্যাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এর পাশাপাশি তিনি ৮৯টি খণ্ডে প্রকাশিত ‘সেন্ট্রাল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি’-র (১৯২৪–১৯৩০) কার্যবিবরণীও প্রকাশ করেন।
এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় সংসদীয় ও সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু এবং দিল্লি বিধানসভার অধ্যক্ষ বিজেন্দ্র গুপ্ত উপস্থিত ছিলেন।
এই উপলক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শ্রী বিড়লা বলেন, এই বিরল বিতর্ক ও কার্যবিবরণীগুলোর সুশৃঙ্খল প্রকাশনার মাধ্যমে দিল্লি বিধানসভা ভারতের আইনসভার ইতিহাস সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শূন্যস্থান পূরণ করেছে।
সেন্ট্রাল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলির প্রথম ভারতীয় অধ্যক্ষ বিঠলভাই প্যাটেলের অবদানের কথা স্মরণ করে শ্রী বিড়লা বলেন, ব্রিটিশ শাসনকালেও প্যাটেল অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে সভার মর্যাদা, অধ্যক্ষের আসনের নিরপেক্ষতা এবং অধ্যক্ষ পদের পবিত্রতা অক্ষুণ্ণ রেখেছিলেন।
ভারতীয় গণতন্ত্রের শক্তির ওপর জোর দিয়ে শ্রী বিড়লা বলেন, ভারতের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভিত্তি হলো আলোচনা, সংলাপ এবং ঐকমত্য; আর বর্তমানে এই দেশটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী একটি আদর্শ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দিল্লি বিধানসভা আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে যাবে এবং এমন একটি জাতি গঠনে অবদান রাখবে, যেখানে জাতীয় স্বার্থই অন্য সবকিছুর ঊর্ধ্বে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।
শ্রী রিজিজু বলেন, “আইনসভা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়লে গণতন্ত্রও দুর্বল হয়ে পড়ে। সংসদ এবং বিধানসভাগুলোর মর্যাদা রক্ষা করা প্রতিটি নির্বাচিত প্রতিনিধিরই একটি যৌথ দায়িত্ব।”
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Angry
0
Sad
0
Wow
0



